আসন্ন মোহাম্মদপুর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহ্ হক

প্রকাশিত: ০৮:৪২ পি এম , ১৬ অক্টোবর ২০২০

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় জমে উঠেছে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের গুঞ্জন।  উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন সহ অন্যান্য ইউনিয়নেও ইউপি নির্বাচনের ডামাডোল বাজতে শুরু করেছে। আসন্ন মোহাম্মদপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও সম্ভাব্য প্রার্থী হচ্ছেন মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন আ.লীগের ত্যাগী নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. শহিদুল্লাহ্ হক।

তিনি এর আগে প্রথমবারের মতো ২০১১ সালের ইউপি নির্বাচনে আনারস মার্কায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। ওই নির্বাচনে তিনি সহ ৫ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে বাকি তিন প্রার্থী তিনবার করে সাবেক ইউপি সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালে দলীয় প্রতীকে ইউপি নির্বাচন হওয়ার  নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে ও পারিবারিক সম্যাসার কারণে নির্বাচন করেন নি তিনি। মো. শহিদুল্লাহ্ হকের দাদা মরহুম বদর উদ্দীন আহম্মেদ লাট সাহেব ইউনিয়ন পঞ্চায়েত, ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, ঠাকুরগাঁও মহকোমা লোকাল বোর্ডের চেয়ারম্যান, জজের জুরি ও মুসলিমলীগের নেতা ছিলেন। মো. শহিদুল্লাহ্ হকের বাবা মরহুম আজহারুল হক বেবী আ.লীগের সমর্থিত দেশ স্বাধীনের পর প্রথম মোহাম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৯০ সালে দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন মো. শহিদুল্লাহ্ হক। তিনি মোহাম্মদপুর আ.লীগের ত্যাগী নেতা ও জনগণের সেবক হিসেবে পুরো ইউনিয়ন ব্যাপী ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়ে জনগণের আস্থাভাজন ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন বলে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ অভিমত ব্যক্ত করেন। তাই তাঁরা আগামী আসন্ন মোহাম্মদপুর ইউপি নির্বাচনে যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহ্ হককে ভোট দিয়ে জয়ী করবেন। মো. শহিদুল্লাহ্ হক ২০১২ সালের লক্ষীপুর ব্যাঙের মোড়ে খাস জমিতে ভূমিহীন ২৫ পরিবারের মাঝে আবাসন ব্যবস্থা করেছেন। এই মহতি কাজ করায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় পরবর্তীতে নির্বাচন সহ সমাজের উন্নয়নের লক্ষ্যে সামাজিক কর্মকাণ্ড যেনো না করতে পারেন সেই জন্য তার উপরে হামলা চালায়। এতে করে গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েন। ইউনিয়ন বাসী সহ সকলের দোয়া ও আশীর্বাদে পুনরায় আবার জীবন ফেরে পান তিনি। বিভিন্ন সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্মশানে দাহ করতে সমাজের এক শ্রেণীর লোক বাধা দিতেন। সে সময় শহিদুল্লাহ্ হকের উদ্যোগে পুনরায় শ্মশানে দাহ  ফেরাতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। বর্তমানে শৃঙ্খলা ভাবে এখনো দাহ বহমান আছে। 

মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.শহিদুল্লাহ্ হক জানান, ইউনিয়নবাসী আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়, বিশেষ করে সেই কারণেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি মাত্র। সেই সাথে আমার দাদা ও বাবার সুনাম ধরে রাখার জন্য এবং বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমি দলের সমর্থন ও সবার দোয়া প্রার্থনা ও আশীর্বাদ চেয়ে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ।

তিনি আরো জানান, আসন্ন নির্বাচনে জয়যুক্ত হয়ে এলাকার অবহেলিত মানুষসহ সর্বস্তরের জনগনের সেবা করতে চান তিনি। এই মোহাম্মদপুর ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন রুপান্তর করা সহ দুর্নীতি মুক্ত ও সকল অপকর্মের বন্ধ করবো এবং জনগণের সেবক হয়ে নিষ্ঠার সাথে কাজ করবো, ইনশাল্লাহ্। আমি  সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত রয়েছি ।  অসংখ্য মসজিদ- মন্দির নির্মাণ,  গরীব মানুষের মেয়ের বিয়ে দেওয়া সহ অসুস্থ মানুষের পাশে থেকে আর্থিক সহযোগিতায় করেছি,যা অত্র ইউনিয়নের সবাই জানে। আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।


সর্বশেষ

জনপ্রিয় খবর