বিরামপুরে দেশের সাথে একযোগে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ

প্রকাশিত: ০৪:৪৪ পি এম , ১৭ অক্টোবর ২০২০

নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং কার্যক্রম দেশের সাথে একযোগে বিরামপুর উপজেলায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তথ্য মতে জানা যায় যে,নির্যাতন,নারী ধর্ষণ,নিপীড়ন বিরোধী সমাবেশ উপজেলার বিরামপুর পৌরসভা, ৪নং দিওড় ইউনিয়ন,পলিপ্রয়োগ পুর, জোতবানী,কাটলা,মুকুন্দপুর,বিনাঈল, খাঁনপুর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে
নারী ও শিশু নির্যাতন,জঙ্গী,বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ সেমিনারে উপস্থিত সুদী, শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও সর্বস্থরের জন সাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে,দেশের বিভিন্ন স্হানে ধর্ষণ,নারী নির্যাতন,নিপীড়ন,বাল্য বিবাহ,জঙ্গি প্রতিরোধে বীট পুলিশিং ন্যায় বিরামপুরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দেশের প্রত্যেক পাড়া মহল্লা থেকে শহরের সকল স্হানে যেন এমন কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত না থাকে। যদি কেহ এমন ঘৃন কর্মের সাথে জড়িত থাকে তবে তার বিরুদ্ধে আইনে কঠোর ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

ইতি পূর্বে বাংলাদেশ সরকার ধর্ষণের বিরুদ্ধে আইন পাশ করেছেন মৃত্যু দন্ড যাহা সকলের অবগত হওয়া বিশেষ প্রয়োজন। সমাজে বসবাসরত যুবদল কোন দলের সমর্থক গোষ্ঠী কোন অবস্থায় যেন উক্ত কর্মে জড়িয়ে না পড়ে সেই লক্ষ্যেই প্রত্যেক অভিভাবকদের জ্ঞাতার্থে ও জনসাধারণের অবগত করণ বীট পুলিশিং সমাবেশ।

প্রত্যেক ইউনিয়ন ভিত্তিক নির্ধারীত একজন বীট অফিসার নিযুক্ত রয়েছেন।  ধর্ষণ,নারী নির্যাতন বিযয়ক কোন প্রকার ঘটনায় তাদের কে তাৎক্ষণিকভাবে অবগত করা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়। এমন কর্মের সহিত যারা জড়িত থাকবে তাদের প্রত্যেকে আইনের আওতায় আনা হবে।

তারা আরও বলেন প্রত্যেক এলাকার জনসাধারণ যেন স্হানীয় প্রশাসন কে সহযোগিতা করেন তবেই এমন কার্যক্রমের সফলতা পাওয়া সম্ভব। সকলকে স্হানীয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা গ্রহণের আহব্বান জানান।
প্রত্যেক এলাকার জনসাধারণ উক্ত বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান করেন তবে সমাজ তথা দেশের সকল স্হানে নারী নির্যাতন,নিপীড়ন,বাল্য বিবাহ,জঙ্গির কার্যক্রমের চিত্র আর থাকবেনা।

এ বিষয়ে এলাকার জনসাধারণের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন,মাদকদ্রব্যের সরবরাহ সেবন প্রক্রিয়ায় বিবর্তনে উক্ত কাজের এত প্রাদূর্ভাব। প্রতিটি এলাকা পাড়া মহল্লায় মাদকদ্রব্যের সরবরাহ সেবন বিক্রয় বিপণনকারী গণকে পূর্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। তবেই হয়তো মুক্ত হবে প্রত্যেক স্হানে এই ধর্ষণের চিত্র।

তারা আরও বলেন আইনের আওতায় প্রতিটি ধর্ষকদের নিয়ে আসলেও আইনের ফাঁক দিয়ে তারা বেরিয়ে পড়ে বলেই তারা আইনের কোন তোয়াক্কা না করে এমন ঘৃন কর্মের সাথে জড়িত হচ্ছে। আইনের শাসন যথারীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ হলে এমন চিত্র আর থাকবেনা মর্মে অভিমত ব্যক্ত করেন।


সর্বশেষ

জনপ্রিয় খবর