সৌদিতে চাবুক মারার বদলে কারাদণ্ড বা জরিমানার নির্দেশ সর্বোচ্চ আদালতের

প্রকাশিত: ১০:৪৬ পি এম , ২৫ এপ্রিল ২০২০

মোঃ ছাদেকুল ইসলাম (স্টাফ রিপোটার): সৌদি আরবের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনায় চাবুক মারার বদলে কারাদণ্ড বা জরিমানার মত শাস্তির বিধান করতে যাচ্ছে । আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম  বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া যায়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উদ্যোগে দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি সংস্কারের অংশ হিসেবে এই পরিবর্তন করতে যাচ্ছে তারা।

মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা ক্যাম্পেইনারদের মতে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ মানবাধিকার পরিস্থিতি যেসব দেশে, সৌদি আরব তাদের মধ্যে একটি। সেখানে সাধারণ মানুষের বাক স্বাধীনতা খুবই সীমিত এবং সরকারের সমালোচকদের ঢালাওভাবে গ্রেফতার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

চাবুক মারার শাস্তির বিষয়টি ২০১৫ সালে, যখন ব্লগার রাইফ বাদাউইকে সাইবার অপরাধ এবং ইসলাম অবমাননার দায়ে জনসম্মুখে চাবুক মারার শাস্তি দেয়া হয়  তখনি বিশ্বব্যাপী আলোচনা তৈরি করেছিল । রাইফ বাদাউইকে ১০ বছরের জেল এবং এক হাজার চাবুক মারার শাস্তি দেয়া হয়েছিল। বাদাউই'র কারাদণ্ড চলাকালীন ঐ এক হাজার চাবুক প্রতি সপ্তাহে দফায় দফায় মারার কথা ছিল।

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে ৫০ বার চাবুক মারাও হয়। কিন্তু ঐ ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার পর সৌদি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। ফলস্বরুপ রাইফ বাদাউইর চাবুক মারার শাস্তি স্থগিত করা হয়। ঐ ঘটনা সৌদি আরব সরকারের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। আর সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই চাবুক মারার প্রথা চিরতরে নিষিদ্ধ করতে চাইছে তারা।


সর্বশেষ

জনপ্রিয় খবর