ভারতে থালা-বাটি ও বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে তাড়ানো হচ্ছে পঙ্গপাল

প্রকাশিত: ০৩:২২ পি এম , ২৮ মে ২০২০

পঙ্গপালের হাত থেকে ফসল বাঁচাতে বাদ্য বাজাচ্ছেন ভারতের কৃষকেরা। এতে পোকা দমন করা না গেলেও তাড়াতে পারছেন তারা। বেশিরভাগ জমিতেই রাখা হয়েছে স্টিলের আসবাব ও ঢোল। জুন নাগাদ যদি পঙ্গপাল দমন করা না যায় তাহলে ফসলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা দেশটির বিশেষজ্ঞদের।

ভারতের কৃষকেরা এখন ব্যস্ত পঙ্গপালের হাত থেকে গ্রীষ্মকালীন ফসল ও মৌসুমি ফল বাঁচাতে। জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি থালা বাসনে শব্দ করে পঙ্গপাল তাড়াতেই দিনের বেশিরভাগ সময়ই কাটছে তাদের।

ঝাঁকে ঝাঁকে আসা পঙ্গপাল পুরোপুরি দমন উপায় নেই। তবে জোরে শব্দ করে এদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানো যাচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের সাত রাজ্যের অন্তত ৩৫ হাজার হেক্টর ফসল নষ্ট করেছে পঙ্গপাল।  এই মৌসুমে বন্যায় এমনিতেই অনেক ফসল নষ্ট হয় তাই জুন নাগাদ যেকোন উপায়ে পঙ্গপাল দমনে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন।

এ প্রসঙ্গে কৃষিবিজ্ঞানী জয়নান্দ কুমার বলেন,'পঙ্গপাল দেখে যদি বাদ্যযন্ত্র দিয়ে জোরে শব্দ করা যায় তাহলে এরা পালিয়ে যায়। আমরা কৃষকদের বলছি স্টিলের আসবাবপত্র ও বাদ্যযন্ত্র দিয়ে শব্দ করতে।  তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় শুধু কৃষক নয়, সবার এগিয়ে আসতে হবে।'  

আগামী কয়েক সপ্তাহে এই ফসল খেকো পতঙ্গগুলোর বিস্তার কমাতে হবে, এর ব্যতিক্রম হলে তা ছড়িয়ে পড়বে পুরো ভারতে। তাই কৃষকরাও অবলম্বন করছে নানা কৌশল। কৃষকরা জানান, 'আমরা পঙ্গপাল দেখলেই শব্দ করে এগুলোকে তাড়ানোর চেষ্টা করছি। কাজ না হলে কীটনাশক স্প্রে করে মেরে ফেলছি।'

গত তিন দশকে পঙ্গপালের এমন হামলা দেখেনি ভারতবাসী। করোনা মহামারিতে এমনিতে সংকটে দেশটি।  তার ওপর ফসল রক্ষা করা না গেলে বড় ক্ষতির মুখে পড়ার শঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দ্রুত পঙ্গপাল দমন করা না গেলে এই ঝাঁক দিল্লিতেও ঢুকে পড়তে পারে এমন আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে সতর্কাবার্তা। 


সর্বশেষ

জনপ্রিয় খবর