ব্যস্ত সড়কে ট্রাফিক পুলিশই বেশি ঝুঁকিতে

প্রকাশিত: ০৯:৫৮ এ এম , ১২ জানুয়ারী ২০২২

টানা টানা ব্যস্ততম সময়ের মতই শাহবাগ ট্রাফিক জোনের কনস্টেবল মং ন্যান্ (বাতেন)। দীর্ঘ ১৬ বছর নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে থাকেন মিরপুরে। রোদ-বৃষ্টি, ঝড়-ঝঞ্ঝা যা-ইুক, প্রতিদিন একই নিয়মে তাকে নাম রাখা হয়। ইশারায় নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয় দ্রুত ছুটে গাড়িগুলো।

নারায়ণ ব্যস্ততম প্রশ্নাবলী ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিড়ম্বিত হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। বাঁকা কথা।

ধুলো-বালি আর রোদ-বৃষ্টিতে দিনভার অক্লান্ত পরিশ্রমের পরও জ্যামের জন্য কথা হয়েছে। কিন্তু আপনি নিজেও জনতার পরিবর্তন করতে পারবেন।

এই নগরীতে দিন প্রথম মালিকের দায়িত্ব পালনের কারণে ট্রাফিক পুলিশরা ধুলোমাখা অক্সিজেনের সারির গ্রাহক। বাতেনও তাদের একজন।

সাধারণ পথচারী গন্তব্য মুখী যেখানে মানুষ পাপ দু-একবার পারাপারে হিম খান, সেখানে সকাল-সন্ধ্যা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঝ মাঝের দায়িত্ব ট্রাফিক পুলিশদের পালন করা হয়।

 

পথ সময়ে ছোট-বড়ও। কখনো জীবনহানিও স্বাভাবিক। ইসলাম পঙ্গুতা বরণ করেন। কেউ কেউ সামনে চলে যান। ট্রাফিক পুলিশ বাতেনওমল তিক্ত অভিজ্ঞতার সাথে অপরিচিত নন।

জাগো নিউ এর সাথে আলাপ বলেন, ২০১২ চারায় তিনি দিকের দিকে। ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালন করছি। ইশারাটি পরও একটি বাস আমার পায়ের উপর পড়ে।

টান প্রচন্ড ব্যথা পেয়ে পাওয়ার। সেই বাসলককে ধর পোকার পরে মানবচায় ছেড়ে দেই। আবার পায়ের চিকিৎসা করে চিকিৎসা করি।

প্রতিদিনের মধ্যে এত এত শব্দদুষণের কানে এখন সহজ কম শুনি। এত কিছুর পর জ্যাম বা অন্য কারণে সিগন্যাল অনেক কিছুর জন্যই মানুষের গাল নীরবে হজম করতে হয়। শেষের এ অভিজ্ঞতা এখন গাসওয়া হয়ে গেছে।

ভয়ংকর ট্রাফিক পুলিশ বাতেন গোটা গোটা ট্রাফিক প্রযুক্তি কর্মরত সদস্যদের প্রতীকী চরিত্র। বছর স্থায়ী ধুলো আর গাড়িরোলিক হর্নের শব্দ হাইড্রোর তাদের নিত্যসঙ্গী।

দিন-রাত জনজীবনে সেবা দিতে গিয়ে তারা ভোগেন বিশ্বাসকষ্ট, সাইনোসাইটিস, মাথাব্যথা, শ্রবণ শক্তির মতো শারীরিক সমস্যায়।


৩১ বছর ধরে পুলিশে ট্রাফিক পুলিশ ফুলবাড়ি ট্রাফিকের সহকারী সার্জেন্ট মো. আব্দুল মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন এত ধুলোবালি শরীরে পার্টি যেটা পার্টি কপি না ধুলোপাল্টা না।

বছর পর বছর মহারাজের ধুলো বিশ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে যেতে এখন বিশ্বাস করা হয়েছে। সাধারণ খাচ্ছ, সারে না। রাতে ঘুম খুব সমস্যা হয়।

বায়ুদূষণের ফলে শারীরিক ট্রাফিক পুলিশদের অনেক সমস্যাও দেখা দেয়। প্রতিনিয়ত গাড়ির উচ্চশব্দের মধ্যে অনেকগুলি স্বভাব ও আচরণের মধ্যবর্তী হওয়া। এর প্রভাব পড়ে পরিবার থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে।

ট্রাফিক লালবাগ পুলিশ সার্জেন্ট মো. আহসান হাসান হাবিব প্রামাণিক জাগো নিউজকে বলেন, শব্দের মধ্যে নিজেরা নিজেদের সামনে গিয়ে টিভির সাউও বেশি শুনতে হয়। স্থাপনা বাসার অন্য সদস্যরা ইতিহাসের মধ্যে রয়েছে।

মেট্রোপলিটন ট্র্যাকিক শুধু তথ্যপ্রযুক্তি, প্রতিদিন ঢাকা মহানগরী চারটি সদস্য সদস্যের দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়ন্ত্রণের পর দিন বায়ুদূষণ ও শব্দদুষণের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিরাপত্তার ঝুঁকিতে জোরন।

ট্রাফিক সদস্যদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা সম্পর্কে বলা হয়েছে ঢাকা ঘাটাঘাটি (ঢেক) পাকিস্তান মেডিসিন প্রশ্নকর্তা একজন ব্যক্তি জাগোকে বলেন, ঢাকা গ্রুপ বায়ুশান অতিমাত্রায়।

 

ফলে ট্রাফিকের দায়িত্বে পুলিশ সদস্যদের জন্য বিশ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের রোগের প্রভাব অনেক বেশি। অতিরিক্ত হাইড্রোলিক হারন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। টাঙ্গানো শ্রবণ শক্তি বাধা হয়ে থাকে।

প্রতিদিনই শান্তিপূর্ণ বিশৃঙ্খলা চালক সহ চারিত্রিক নিয়ম না মানার পথ আসে। তাই আমাকেও ট্রাফিক পুলিশদের কাছে ধরা হয় বিড়ম্বনায়। আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে তদবির নয়তো পড়েন চাকরি হারানো সহ বলির অনুমতিতে। স্বভাবের মধ্যেও আবার কখনো শিকার হন।

 

তারপরও জীবিকার তাগিদের পাশাপাশি জনজীবনে কঠোরতা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করতে হয় ট্রাফিক ব্যবস্থাপকদের। তবে মনের মতো ব্যস্ততম নগরীতে ট্রাফিকের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে স্বাগতমতো হিমশিমই দায়ী হয়।

পার্টি হাইকোর্ট মোড়ে দায়িত্ব পালনকারী ট্রাফিক পরিদর্শক মো. সাগর আনাম জাগো নিউজকে বলেন, একবার গাড়ি উল্টো পথ আসায় থামানোয় আমার চাকরি নিয়ে টানাটানি শুরু হয়। পার্কে আইনভঙ্গের ব্যবস্থা নিতে যেতে যেতে যেতে প্রবেশ করতে। এমন অনেকের সঙ্গেই।

তবে অভিযান-মকিও আইনভঙ্গ কর কোনো ব্যবস্থা নিতে কোনো বাধা নেই ট্রাফিক প্রধান ও উপ-মহাপুত্র পরিদর্শক মো. মুনিবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণত আমরা চেষ্টা করতে চেষ্টা করি।

ট্রাফিক আইন নাও আইন চায় তাদের সক্রিয়তা দেখাতে। তবে আইনভঙ্গের জন্য তা নির্ধারণ করার নির্দেশ রয়েছে। গুরুতর খারাপ আচরণ বা আইনভঙ্গ করে দেখাও পরবর্তীতে (পয়েন্টে) ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

উন্নত বিশ্বে সীমান্ত দিয়ে ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন করে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য উন্নত স্কুল মাস্ক। সঠিক ব্যবস্থা নেই। এখানে সাধারণ মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

যদিও আমার জন্য যথেষ্ট হয়েছে এটা দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক ট্রাফিকের জন্য সব জায়গায় ট্রাফিক বক্স সুবিধা নেই। কোনো বক্সে নেই শৌচাগার।

সেসব জায়গায় দায়িত্বশীলদের কাছে, তাদের সামনের পাবলিক শৌচাগার ব্যবহার করতে হয়। নারী ফিক পুলিশদের তথ্য বিব্রতকর হতে পারে। আবার অনেক ট্রাফিক বক্স পুলিশের ব্যক্তিগত বা কোনো কোম্পানি বা সংস্থার দায়িত্ব পালন করা। স্থাপনের জন্য আবার সিটি করপোরেশনের অনুমতি। কোনোটার অনুমতি

ট্রাফিক পুলিশের সার্বিক বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাফিক বিভাগের প্রধান ও উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মো. মুনিবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ট্রাফিক পুলিশ বায়ুদূষণ, শব্দদূষণের ফলে ফুসফুস, চর্মরোগ ও শ্রবণশক্তিজনিত সমস্যায় ভোগেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সময়মতো খাওয়ার সুযোগও হয় না।

আবার এটি অনেকটা শারীরিক পরিশ্রমেরও কাজ। ফলে অনেকে নানা ধরনের সমস্যায় পড়েন, বিশেষত একটু বয়স্ক ট্রাফিক পুলিশরা।

ট্রাফিক বিভাগের প্রধান বলেন, আগে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পরিসর এত বড় ছিল না।

ফলে সমস্যাগুলো কাটাতে কিছু সময় লাগবে। এরই মধ্যে আমরা ট্রাফিক বক্সগুলো উন্নত করছি, যেন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ট্রাফিক সদস্যরা একটু রিফ্রেশমেন্টের সুযোগ পান।

এছাড়া অনেক মোড়ে এখনো ট্রাফিক বক্স নেই, সেসব স্থানেও ধীরে ধীরে সুবিধা বাড়ানো হবে।


সর্বশেষ

জনপ্রিয় খবর