জীবনে মানুষ সবচেয়ে বেশিবার যে শব্দটি শোনে তা হলো তার নিজের নাম। মৃত্যুর পরও তার নাম রয়ে যায়। ওই নামেই মানুষ তাকে স্মরণ করে। হাদিসে আছে কেয়ামতের দিনও মানুষকে তার নাম ধরে ডাকা হবে।
তাই ইসলামে মানুষের নাম সুন্দর হওয়াকে, উত্তম অর্থবোধক হওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন তোমদের নাম এবং বাবার নাম ধরে ডাকা হবে, তাই তোমাদের নাম সুন্দর করো। (সুনানে আবু দাউদ)
কারো নামের অর্থ অসুন্দর অর্থবোধক হলে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা পরিবর্তন করে রাখতেন। বর্ণিত রয়েছে, এক নারী সাহাবির নাম ছিলো আসিয়া বা অবাধ্য, রাসুল (সা.) তার নাম পরিবর্তন করে রেখেছিলেন জামিলা বা রূপবতী। (সুনানে আবু দাউদ)
শিশুর প্রতি বাবা-মায়ের একটি কর্তব্য হল তার সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখা।
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, বাবার ওপর সন্তানের অধিকার হচ্ছে, সে তার উত্তম নাম রাখবে, তাকে ভালো স্থানে রাখবে এবং তাকে উত্তম আদব শিক্ষা দেবে। (শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকি)
সুতরাং এ বিষয়ে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। শিশুর নাম রাখার আগে বাবা মায়েরা যেন অবশ্যই নামের অর্থ ভালোভাবে জেনে নেন। কোনো খারাপ অর্থের শব্দ যেন শিশুর নাম হিসেবে নির্ধারিত না হয়। নাম রাখার আগে কোনো আলেমের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া যেতে পারে।
শিশুর জন্মের সপ্তম দিন তার নাম রাখা মুস্তাহাব। আমর ইবনে শুয়াইব তার বাবা থেকে তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, নবী সা. শিশুর জন্মের সপ্তম দিন তার নামকরণ করার, চুল ফেলে দেওয়ার এবং আকিকা করার নির্দেশ দিয়েছেন। (সুনানে তিরমিজি)
।
তবে সপ্তম দিনের আগে এমন কি জন্মের পরপর যদি শিশুর নাম রাখা হয়, তাতেও কোনো দোষ নেই। নবিজি (সা.) নিজের ছেলে ইবরাহিমের নাম তার জন্মের প্রথম দিনই রেখেছিলেন। রাসুল (সা.) তার ছেলে জন্মের প্রথম দিনই সাহাবিদের বলেছিলেন, গত রাতে আমার একটি ছেলে হয়েছে, আমি তার নাম আমার বাবা ইবরাহিমের নামে রেখেছি। (সহিহ মুসলিম)
তাই ইসলামে মানুষের নাম সুন্দর হওয়াকে, উত্তম অর্থবোধক হওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমাদেরকে কেয়ামতের দিন তোমদের নাম এবং বাবার নাম ধরে ডাকা হবে, তাই তোমাদের নাম সুন্দর করো। (সুনানে আবু দাউদ)
কারো নামের অর্থ অসুন্দর অর্থবোধক হলে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা পরিবর্তন করে রাখতেন। বর্ণিত রয়েছে, এক নারী সাহাবির নাম ছিলো আসিয়া বা অবাধ্য, রাসুল (সা.) তার নাম পরিবর্তন করে রেখেছিলেন জামিলা বা রূপবতী। (সুনানে আবু দাউদ)
শিশুর প্রতি বাবা-মায়ের একটি কর্তব্য হল তার সুন্দর অর্থবোধক নাম রাখা।
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, বাবার ওপর সন্তানের অধিকার হচ্ছে, সে তার উত্তম নাম রাখবে, তাকে ভালো স্থানে রাখবে এবং তাকে উত্তম আদব শিক্ষা দেবে। (শুআবুল ঈমান লিল বাইহাকি)
সুতরাং এ বিষয়ে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। শিশুর নাম রাখার আগে বাবা মায়েরা যেন অবশ্যই নামের অর্থ ভালোভাবে জেনে নেন। কোনো খারাপ অর্থের শব্দ যেন শিশুর নাম হিসেবে নির্ধারিত না হয়। নাম রাখার আগে কোনো আলেমের সাথে পরামর্শ করে নেওয়া যেতে পারে।
শিশুর জন্মের সপ্তম দিন তার নাম রাখা মুস্তাহাব। আমর ইবনে শুয়াইব তার বাবা থেকে তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, নবী সা. শিশুর জন্মের সপ্তম দিন তার নামকরণ করার, চুল ফেলে দেওয়ার এবং আকিকা করার নির্দেশ দিয়েছেন। (সুনানে তিরমিজি)
।
তবে সপ্তম দিনের আগে এমন কি জন্মের পরপর যদি শিশুর নাম রাখা হয়, তাতেও কোনো দোষ নেই। নবিজি (সা.) নিজের ছেলে ইবরাহিমের নাম তার জন্মের প্রথম দিনই রেখেছিলেন। রাসুল (সা.) তার ছেলে জন্মের প্রথম দিনই সাহাবিদের বলেছিলেন, গত রাতে আমার একটি ছেলে হয়েছে, আমি তার নাম আমার বাবা ইবরাহিমের নামে রেখেছি। (সহিহ মুসলিম)